২৩ দিন আগেই প্রবেশপত্র তোলা বন্ধে পরীক্ষা দিতে পারছেন না সহস্রাধিক

12
সময়সূচী

বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সমন্বিত ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার সিনিয়র অফিসার পদে পরীক্ষার ২৩ দিন আগেই প্রবেশ পত্র তোলা বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোন পাবলিক পরীক্ষার ঠিক এত দিন আগে প্রবেশ পত্র তোল বন্ধ করায় পরীক্ষা দিতে পারছে না প্রায় কয়েক হাজার চাকুরী পরীক্ষার্থী।

গত ৫ ডিসেম্বর প্রবেশপত্র তোলার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের নিজ ওয়েবসাইটে প্রবেশপত্র তোলার জন্য নোটিস দিলেও সেটা সকল পরীক্ষার্থীর কাছে পৌছে নি। অনেকেই বসে ছিলেন জাতীয় দৈনিক কিংবা মোবাইল অথবা মেইলের অপেক্ষা। অথচ সেটি না করে অনেকের অজান্তেই গত ২০ ডিসেম্বর শেষ হয়ে যায় ডেডলাইন! ২৩ দিন আগেই প্রবেশপত্র তোলা বন্ধ করায় কয়েক হাজার চাকরী প্রার্থীর স্বপ্ন এখন মিলিয়ে যাওয়ার পথে। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মিডিয়া সেকশনে যোগাযোগ করতে গেলেও মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিপুল সংখ্যক চাকরীপ্রার্থী। তাদের সবারই দাবী ২৩ দিন আগে কেন প্রবেশপত্র তোলা বন্ধ করতে হবে? অনলাইন আর ডিজিটালাইজেশনের এই কি সুফল? প্রবেশপত্র তোলার সাথে তো কোন প্রশ্নফাঁস কিংবা অনিয়মের কোন সম্পর্ক নেই তাহলে প্রবেশপত্র তোলা নিয়ে কেন এত বেশি সতর্কতা? বিসিএস পরীক্ষায় যেখানে ২ দিন আগেও প্রবেশপত্র তোলা যায় সেখানে ব্যাংকে এত তড়িঘরি কাদের স্বার্থে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করা চাকুরীপ্রার্থী আবু হুজাইফা বলেন,‘ কোন পত্রিকায় প্রবেশ পত্র তোলা বিষয়ে কোন সংবাদ পাই নি। এরকম অবস্থায় ২৩ দিন আগে প্রবেশ পত্র তোলার কোন যৌক্তিকতা দেখছিনা। এটা একটা মনগড়া নিয়ম। সবারই অংশগ্রহণের অধিকার রয়েছে। এরকম চুপিসার নিয়ম তো সংবিধান পরীপন্থি। আপনি বলতেই পারেন বেশির ভাগই তো তুলতে পেরেছে , আপনি পারেন নি কেন? সমস্যা থাকতেই পারে। সার্কুলারের সময়তো বলা ছিলো না ২৩ দিন আগে প্রবেশপত্র তোলা যাবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের সদয় বিবেচনা আশা করছি। এত বড় সার্কুলার যেন বিতর্কিত না হয়।

সচেতনতা কিং নিরাপত্তা কোন যুক্তিই নিজেদের পক্ষে ঢাল হিসেবে ব্যাবহার করতে পারবে না। কারণ কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী জানতেনেই না ২৩ দিন আগে এডমিট তুলতে হবে।