ভোট গ্রহনের সম্ভাব্য তারিখ ২৩ ডিসেম্বর (রবিবার) ২০১৮

8
বাংলাদেশ

ইসির প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০ অথবা ২৩ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ করা হতে পারে। তবে ২৩ ডিসেম্বরকেই ভোটের তারিখ রাখার পক্ষে কমিশন।

আগামী ৮ নভেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ওই দিন বিকেলের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে তফসিল ঘোষণা করবেন।

গতকাল রোববার কমিশন সভা শেষে সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন, আগামী ৮ নভেম্বর আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে এই তফসিল ঘোষণা করবেন। ঘোষণা অপরাহ্নে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তার আগে তফসিল চূড়ান্ত করতে সিইসি কক্ষে জরুরি ভিত্তিতে ৩৯তম কমিশন সভা ডাকা হয়। তবে ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তফসিল ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ হলেও গতকালের বৈঠকে মনোনয়নপত্র দাখিল ও ভোট গ্রহণের তারিখসহ বিস্তারিত সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়নি। ৮ নভেম্বর সকাল ১০টায় সংক্ষিপ্ত পরিসরে কমিশনের আরেকটি সভায় এ সময়সূচি নির্ধারণ এবং সিইসির ভাষণ রেকর্ডিং সম্পন্ন করা হতে পারে।

ইসির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগের নির্বাচনগুলোর ভোটগ্রহণ হয় তফসিল ঘোষণার ৪০ থেকে ৪৫ দিনের ব্যবধানে। ২০০৮ খ্রিস্টাব্দের ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের ৪৫ দিন আগে।

২০০৮ খ্রিস্টাব্দের ২ নভেম্বর ঘোষিত ওই তফসিলে ১৮ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থীরা এ তফসিল অনুসারে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া থেকে বিরত থাকে। এরপর সব রাজনৈতিক দলের সমঝোতার মাধ্যমে ২৩ নভেম্বর পুনঃতফসিল ঘোষণা করে ২৯ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

সর্বশেষ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ২৫ নভেম্বর যে তফসিল ঘোষণা করা হয় তাতে ২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন, বাছাই ৫ ও ৬ ডিসেম্বর, প্রত্যাহার ১৩ ডিসেম্বর এবং ভোট গ্রহণের তারিখ ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ৫ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।

এতে তফসিল ঘোষণা থেকে ভোটগ্রহণে সময়ের ব্যবধান ছিল ৪০ দিন। সে সময় নির্বাচনের অংশগ্রহণ নিয়ে রাজনৈতিক সমঝোতার পরিপ্রেক্ষিতে ভোটগ্রহণের সময় আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা ছিল কমিশনের।