জেএসসি-জেডিসিতে বসছে সাড়ে ২৪ লাখ শিক্ষার্থী

19
jsc ফলাফল 2018

বাংলাদেশের দুই হাজার ৮৩৪টি কেন্দ্রে বুধবার থেকে একযোগে শুরু হচ্ছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা।

প্রথম দিন সকাল ১০টায় জেএসসিতে বাংলা প্রথম পত্র এবং জেডিসিতে কুরআন মাজীদ ও তাজবিদ বিষয়ে পরীক্ষায় বসবে ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮২০ জন শিক্ষার্থী।

এবার দেশের ২৮ হাজার ৬২৮টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে, পরীক্ষা চলবে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত।

আট বোর্ডের অধীনে এবার জেএসসিতে ২০ লাখ ৯০ হাজার ২৭৭ জন এবং মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে তিন লাখ ৭৮ হাজার ৫৪৩ জন পরীক্ষা দেবে।

জেএসসি-জেডিসির ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৩ লাখ ২৪ হাজার ৪২ জন ছাত্রী এবং ১১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৭৮ জন ছাত্র। ছাত্রদের থেকে এবার এক লাখ ৭৯ হাজার ২৬৪ জন ছাত্রী বেশি।

এবার জেএসসিতে ৯৬ হাজার ২১২ জন এবং জেডিসিতে ১৪ হাজার ৩৬৭ জন অনিয়মিত পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবে।

এক থেকে তিন বিষয়ে যারা অকৃতকার্য হয়েছিল তারাও এবার ওইসব বিষয়ে পরীক্ষা দেবে, এই সংখ্যা জেএসসিতে ৮৭ হাজার ৬৯৭ জন এবং জেডিসিতে ১১ হাজার ৭৭০ জন।

বিদেশের নয়টি কেন্দ্রে এবার ৬৫৯ জন জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আগেই জানিয়েছেন, সব পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কেন্দ্র প্রবেশ করতে হবে।

এবারও বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া অন্য বিষয়ের পরীক্ষা সৃজনশীল প্রশ্নে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, জেএসসি-জেডিসিতে এবার থেকে শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, কর্মমূখী শিক্ষা এবং চারুকলা বিষয়ের পরীক্ষা হবে না। এসব বিষয়ের ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাপ্ত নম্বর সংরক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সরবরাহ করবে।

এবার নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের চতুর্থ বিষয়সহ ১০টি পত্রে ৮৫০ নম্বরের পরীক্ষায় বসতে হবে।

নাহিদ জানান, শ্রবন প্রতিবন্ধীসহ অন্য প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা এবারও অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় পাবে। এছাড়া দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই তারা শ্রুতি লেখক সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারবেন।

এছাড়া অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রোম এবং সেরিব্রালপলসিজনিত প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বৃদ্ধিসহ শিক্ষক, অভিভাবক বা সাহায্যকারীর বিশেষ সহায়তায় পরীক্ষা দেওয়া সুযোগ দেওয়া হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

জেএসসি-জেডিসিতে বহু নির্বাচনী ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্রে দুটি বিভাগ থাকলেও দুটি অংশ মিলে ৩৩ পেলেই পাস বলে গণ্য হবে, অর্থাৎ এসএসসির মত দুটি অংশে আলাদা আলাদা পাসের প্রয়োজন নেই।